আশুরায়ে মুহাররামের করণীয় ও বর্জনীয়

অডিও ডাউনলোড করুন: ১৯/১২/২০১২

অডিও ডাউনলোড করুন:২০/১১/২০১২
www.mediafire.com/?3wumwr1g8m1v2tw

প্রসঙ্গ কথা: মুসলিম সামজে আশুরায়ে মুহাররাম একটি সুপরিচিত বিষয়। বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন হলো আশুরায়ে মুহাররাম। তাই দেখা যায় অনেকেই এ দিনটিকে শুধুমাত্র শিয়াদের বিশেষ দিন মনে করে থাকেন, আবার কেউ শিয়াদের সংস্পর্শে থাকার কারণে তাদের ঐসব বিড়াল তাপশ কর্মসূচীতেও যোগ দিয়ে থাকেন। আসলে বিষয়টি কি শুধু শিয়াদের জন্যই নির্দিষ্ট না আশুরায়ে মুহাররামে সুন্নী মুসলমানদের জন্যও কিছু রয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে বলব হ্যাঁ অবশ্যই সুন্নী মুসলমানদের জন্য আশুরায়ে মুহাররামে কিছু করণীয় রয়েছে, তবে শিয়াদের দীন-ধর্মে যা রয়েছে তা কখনই নয় বরং আল কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে নবী (সা) ও সাহাবায়ে কিরাম হতে যা প্রমাণিত তাই হলো সুন্নী মুসলমানদের করণীয়, আসুন আমরা সংক্ষিপ্তকারে আশুরায়ে মুহাররামের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় সমূহ জেনে নেই।

পবিত্র মুহাররাম মাস:

বছরে মাসের সংখ্যা ও গণনা সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনুল কারীমে বলেন:
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَات وَالأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلاَ تَظْلِمُواْ فِيهِنَّ أَنفُسَكُمْ
“নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস বারটি, আর তা আসমান সমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান, সুতরাং তোমরা এর মধ্যে নিজেদের উপর যুলুম অত্যাচার করনা।” (সূরা তাওবা: ৩৬)
সাহাবী আবু বাকরাহ (রা) নবী (সা) হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেন: বার মাসে এক বছর, তন্মধ্যে চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস- যুলকাদাহ, যুলহিজ্জা ও মুহাররাম একত্রে এ তিনটি মাস এবং রজব মাস।” (বুখারী শরীফ : হাদীস ২৯৫৮) তাই মুহাররাম মাসটি হলো এমন এক সম্মানিত মর্যাদাশীল মাস যাতে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ।

আশুরা কি? : আশুরা শব্দটির বিশ্লেষণ নিয়ে ভাষাবিদগণ বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছেন। অধিকাংশের নিকট মুহাররাম মাসের দশম তারিখই হলো আশুরার দিন। ইহা আরবী শব্দ (عشر) আশারা হতে নির্গত, যার অর্থ হলো দশ। অতএব মুহাররাম মাসের দশম তারিখে রোযা রাখার নামই হলো আশুরার রোযা। (দ্রঃ মিরআতুল মাফাতিহ ৭/৪৫ পৃষ্ঠা)
আশুরায়ে মুহাররামের রোযা শুধু উম্মাতে মুহাম্মাদীর জন্য নয় বরং ইহা পূর্ববর্তী যুগেও প্রচলিত ছিল। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমার (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা রাসূলুল্লাহ (সা) এর নিকট আশুরার দিবস সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি (সা) বলেন: এদিনে জাহেলী যুগের লোকেরা রোযা রাখত এতএব যে রাখতে চায় রাখবে আর যে ছাড়তে চায় ছাড়বে। (সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২৬৪২) সহীহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এসেছে আয়িশা (রা) বলেন: জাহেলী যুগে মক্কার কুরাইশ বংশের লোকেরা আশুরার রোযা রাখত এবং রাসূলুল্লাহও (সা) আশুরার রোযা রাখতেন। (হাদীস নং ২৬৩২)। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী (সা) যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন দেখলেন যে ইয়াহুদ সম্প্রদায় দশই মুহাররামে আশুরার রোযা রাখছে। তিনি প্রশ্ন করলেন: একি বিষয়? তারা বলল, এ হলো পবিত্র দিন, যে দিনে আল্লাহ তাআলা বানী ইসরাঈলকে তাদের শত্রুুর হাত থেকে রক্ষা করেছেন, ফলে মূসা (আ) সে দিনটি শুকরীয়াস্বরূপ রোযা রেখেছেন (আমরাও তার অনুসরণ করে রাখছি)। নবী (সা) বললেন: আমি তোমাদের চেয়ে মূসা (আ) এর মত রোযা রাখার বেশী অধিকার রাখি, অতঃপর তিনি রোযা রাখেন এবং অন্যদের রোযা রাখার নির্দেশ দেন। (বুখারী হাদীস ২০০৪ মুসলিম হাদীস ১১৩০)। এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদের বর্ণনায় বর্ধিত অংশে বলা হয়েছে যে, আশুরা এমন একটি দিন, যে দিনে নূহ (আ) এর কিশতী জুদী পর্বতে অবতরণ করে ফলে তিনি শুকুরিয়া স্বরূপ ঐ দিনটি রোযা রাখেন। অতএব প্রমাণিত হয় যে, পূর্ববর্তী নবী ও উম্মাতের মাঝেও আশুরায়ে মুহাররামের রোযা রাখার ইবাদাত চালু ছিল।

আশুরায়ে মুহাররামে করণীয়:
আশুরায়ে মুহাররাম সম্পর্কে আমরা পরিচিত হলাম। এখন জানা দরকার কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে আমাদের করণীয় কি? বিভিন্ন পেপার পত্রিকা ও মুসলিম বিশ্বের বাস্তব অবস্থার প্রতি নজর দিলে দেখা যায় মানুষ চার ভাগে বিভক্ত: একভাগ হলো চরমপন্থী শিয়া সম্প্রদায় যাদের কাছে এ দিনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, মূলতঃ তাদের ঐসব কর্মকান্ড মুহাম্মদ (সা) এর দীন ধর্মে ভিত্তিহীন। দ্বিতীয় ভাগ যারা এদিন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভাবে গাফেল উদাসীন। তৃতীয় ভাগ যারা এদিনকে কিছুটা গুরুত্ব দেয় তবে সীমাতিক্রম করে মিলাদ মাহফিল খাওয়া দাওয়া ইত্যাদি কর্মে লিপ্ত হয়ে থাকে। চতুর্থ ভাগ যারা আল কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে এদিনটি যথাযথ মূল্যায়ন করে থাকেন। এটাই হলো হক। ইহাই প্রতিটি উম্মাতে মুহাম্মাদীর করা উচিত। কুরাআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে অন্য মাস বা দিন এর ন্যায় দশই মুহাররামে একই ইবাদাত, তবে বিশেষ ইবাদাত হলো রোযা রাখা।

আশুরার রোযার ফযীলত:
আশুরার রোযা একটি বড় ফযীলতপূর্ণ রোযা, এর বদৌলতে শুধু রোযারই ফযীলত পাওয়া যায় না বরং পূর্বের এক বছরের অপরাধ মোচন হয়ে যায়। নবী (সা) বলেন: আমি আল্লাহ তা‘আলার কাছে আশাবাদী যে, আশুরার দিবসের রোযার বিনিময়ে তিনি পূর্বের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ মোচন করে দিবেন। (সহীহ মুসলিম হাদীস নং ১৯৭৬)

আশুরার রোযার হুকুম ও সংখ্যা:
পূর্বে আলোচিত হয়েছে যে, ইসলামের পূর্ব যুগ হতেই এ রোযার প্রচলন রয়েছে, অতঃপর নবী (সা) এর মাধ্যমে তা ইসলামের ইবাদাত হিসাবে গণ্য হয়। রামাযানের রোযা ফরয হওয়ার পর ইহা সকলের মতে সুন্নাত। কিন্তু রামাযানের রোযা ফরয হওয়ার পূর্বে তার হুকুম সম্পর্কে বিদ্বানগণ ভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন, কেউ ওয়াজিব বলেছেন আবার কেউ সুন্নাত বলেছেন, তবে অনেকেই ওয়াজিব বলেছেন, কারণ নবী (সা) নিজে রোযা রেখেছেন এবং সাহাবীদের রোযা রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আয়িশা (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা) যখন মক্কা হতে মদীনায় হিজরত করে গেলেন তখন তিনি নিজে রোযা রাখলেন এবং অন্যদের রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন, অতঃপর যখন রামাযানের রোযা ফরয হলো তখন তিনি বললেন: যার ইচ্ছা হয় আশুরার রোযা রাখবে আর যার ইচ্ছা হয়, না রাখবে। (সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২৬৩২)

নবী (সা) সর্বপ্রথম আশুরার রোযা হিসাবে মুহাররাম মাসের দশ তারিখে শুধু একটি রোযা রাখেন এবং সে দিনটির ফযীলাত বর্ণনা করেন। অতঃপর দশম হিজরীতে নবী (সা) কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে ইয়াহুদ সম্প্রদায় এ দিনটিকে খুব মর্যাদা দেয় এবং সে দিনটিতে রোযা রাখে তখন নবী (সা) বললেন: যদি আমি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে নবম তারিখ সহ দু’টি রোযা রাখব। কিন্তু আগামী বছর আসার পূর্বেই তিনি দুনিয়া হতে বিদায় নেন। (সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২৬৬১)

অতএব দশম তারিখের আগে একদিন অথবা পরে একদিন যোগ করে দু’দিন রোযা রাখা হলো উত্তম। নবী (সা) বলেন: তোমরা আশুরার রোযা রাখ ইয়াহুদ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধাচরণ কর এবং দশম তারিখের আগে একদিন অথবা পরে একদিন মিলিয়ে রোযা রাখ। (সহীহ ইবনে খুজাইমাহ হাদীস ২০৯৫)।

সুতারাং শুধু দশম তারিখে একটি, অথবা আগের বা পরের সাথে মিলিয়ে দু’টি, অথবা আগে ও পরে সহ মোট তিনটি রোযা রাখা যেতে পারে। ইহাই আশুরা উপলক্ষে শরীয়ত সম্মত ইবাদাত।

আশুরায়ে মুহাররামে বর্জনীয়:
আশুরায়ে মুহাররামকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে অনেকেই অনেক রকম কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে, কেউ এ দিনটিকে হিজরী বর্ষের প্রথম মাস হিসেবে আনন্দ উৎসব করে থাকে। মোরগ খাশী জবাই করে আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধব সহকারে আনন্দ উল্লাসে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে। ভাল ও নতুন পোষাক পরিধান করে এবং বিশ্বাস করে যে বছরের প্রথম মাসে এরূপ করতে পারলে পূর্ণ বছরই তাদের আনন্দে কাটবে। এমনকি নবী (সা) এর নামে বহু মিথ্যা হাদীসও তৈরী করা হয়েছে যার ইসলামে কোন ভিত্তি নেই। তাই মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য হলো এসব মিথ্যা ও জাল হাসীস বর্জন করে ইসলামের নামে কুসংস্কার বর্জন করে সহীহ হাদীসের আলোকে আশুরায়ে মুহাররাম পালন করা উচিত।
অন্য আরেকটি দল যারা শিয়া সম্প্রদায় বলে পরিচিত এবং কিছু সুন্নী মুসলিমও তাদের সংস্পর্শে থেকে এদিনটিকে শোকের দিন হিসাবে পালন করে থাকে। আর তারা শোক প্রকাশ করতে গিয়ে ঘোড়া, তাজিয়া, ঢোল-ঢাক মিছিল-মিটিং বুকচাপড়ানো মুরসিয়া গান-গজল ইত্যাদি অলীক কার্যক্রমের মাধ্যমে এ দিনটি উদযাপন করে থাকে, আবার মুসলিমদের মাঝে কেউ হুসাইন (রা) ও তাঁর পরিবারের জন্য নামায রোযা মিলাদ মাহফিল কুরআন খানি ইত্যাদি পালন করে থাকে। এ সব কিছুই ইসলামে গর্হিত কাজ যা কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য শোভা পায় না বরং বর্জন করা অপরিহার্য হয়ে যায়। কারণ হুসাইন (রা) এর শাহাদাত বরণ নিশ্চয় মুসলিমদের জন্য এক দুঃখজনক বিষয়, অবশ্য আল্লাহ তা‘আলা তাকে এ শাহাদাতের মাধ্যমে আরো সম্মানিত করেছেন। কিন্তু এ শাহাদাতকে কেন্দ্র করে এভাবে শোক দিবস পালন করতে হবে তা ইসলামী নিয়ম নীতিতে পড়েনা, কারণ যদি তাই হতো তাহলে নবী (সা) এর চাচা আমীর হামযা (রা) এর মর্মান্তিক শাহাদাত বরণ ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা ওমার (রা), তৃতীয় খলীফা উসমান (রা), চতুর্থ খলীফা হুসাইন (রা) এর পিতা আলী (রা) ইত্যাদি সকলেরই শোক দিবস পালন করাটা আরো বেশী গুরুত্ববহ ছিল। অপরপক্ষে যারা আজ শোক দিবস পালনে ব্যাকুল হয়ে পড়েছি তারা যদি সত্যিই হুসাইন (রা) এর প্রতি দরদী হতাম তাহলে কর্তব্য ছিল তার মতই নবী (সা) এর রেখে যাওয়া ইসলাম অনুসরণ করে চলা, কিন্তু দেখা যায় তাদের চালচলন, আচার আচরণ এক প্রান্তে আর ইসলাম হলো আরেক প্রান্তে। তাইতো নবী (সা) এর কথাই হচ্ছে তাদের জন্য সঠিক ফায়সালা। তিনি (সা) বলেন:
ليس منا من لطم الخدود وشق الجيوب ودعا بدعوى الجاهلية
“সে আমাদের মধ্যে নয় যে মুখ চাপড়িয়ে বুক ফেড়ে জাহেলী প্রচলন অনুসরণে মর্সিয়া ক্রন্দন করে।” (সহীহ বুখারী হাদীস নং ১২৯৪) অতএব মুহাম্মদ (সা) এর অনুসারীদের কর্তব্য হবে আশুরায়ে মুহাররামকে কেন্দ্র করে ইসলাম অসমর্থিত ও গর্হিত ইবাদাতের নামে কুসংস্কার বর্জন করা এবং সহীহ হাদীসের আলোকে তাঁর সুন্নাত অনুসারে আমল করা।

উপসংহার:

আল্লাহ তাআলা জীন ও ইনসানকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁরই ইবাদাতের জন্য। কিন্তু ইবাদাত সম্পাদনের ক্ষেত্রে মানুষের খেয়াল খুশীর উপর ছেড়ে দেননি বরং যুগে যুগে নাবী ও রাসূল প্রেরণের মাধ্যমে ইবাদাতের নিয়মনীতি শিক্ষা দিয়েছেন। আমাদের জন্য প্রেরণ করেছেন নবী মুহাম্মদ (সা) কে এবং আল্লাহ তা‘আলা তাকে ইবাদাতের মাপকাঠী হিসাবে ঘোষণা দিয়ে বলেনঃ
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا
“আর তোমাদেরকে রাসূল (সা) যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর এবং তিনি যা হতে বারণ করেছেন তা হতে বিরত থাক।” (সূরা আল হাশর ঃ ৭)
অতএব উম্মাতে মুহাম্মাদীর কর্তব্য হলো আশুরায় মুহাররামে নবী (সা) এর সুন্নাত অনুযায়ী ১০ তারিখ অথবা ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ অথবা ৯, ১০, ১১ তারিখ রোযা রাখা এবং রোযা ব্যতীত বাকী সকল প্রকার প্রমাণহীন ইবাদত বা ইবাদাতের নামে কুসংস্কার বর্জন করে সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত থাকা। আল্লাহ আমাদের সকলকে সকল ক্ষেত্রে বিশেষ করে আশুরায় মুহাররামে নবী (সা) এর সুন্নাত অনুযায়ী ইবাদত করার তাওফীক দিন এবং আশুরাকে কেন্দ্র করে বিদআত কুসংস্কার ও জাহেলী কর্মকান্ড হতে হেফাযত করুন। আমীন

আলোচনায়-
(শাইখ আবূ আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী)
অধ্যক্ষ – মাদরাসাতুল হাদীস, নাজির বাজার, ঢাকা-১০০০।
ও আলোচক- পিস.টিভি বাংলা।
মোবাইল: ০১৭১৫-৩৭২১৬১

(অত্র ওয়েবসাইটের এডিটর)
(আবু তালিব বিন ইসহাক)
শিক্ষক – মাদরাসাতুল হাদীস, নাজির বাজার, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭২৬-৯৪২৮৫১
স্কাইপ: abu.talib851

*দয়া করে শেয়ার করেত ভুলেবন না*

আপনার নেটওর্য়াকে শেয়ার করুন